বীজগণিতীয় রাশির গুণঃ
বীজগণিতীয় রাশির গুণ শিখার পূর্বে যে বিষয়টি আমাদের জানতে হবে,তা হচ্ছে চারটি প্রক্রিয়া চিহ্ন যথাক্রমে (+),( -),() ও() এর গুণ-প্রক্রিয়া।
তোমরা হয়তো অনেকেই জানো ( +)(+)=+, ( +)(-)= -, (-)(+)= - এবং (-)(-)= +
কিন্তু কেনো এরকম হয় তা কি জানো ?
তাহলে চলো আমরা আজকে বীজগণিতীয় গুণ শিখার পুর্বে এই চারটি প্রক্রিয়া চিহ্নের গুণফলগুলো কেনো এ’রকম হয় -তার কারণ বিশ্লেষণ করি।
আমরা সহজ উপায়ে বীজগণিত শিখার ৭ম পর্বে সংখ্যা রেখা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। যারা পাঠটি এখনো ভিজিট করোনি তারা ৭ম পর্বের পাঠটি ভিজিট করে নিতে পারো। কারণ প্রক্রিয়া চিহ্নগুলোর গুণফল বুঝতে হলে সংখ্যা রেখা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
যাই হউক প্রক্রিয়া চিহ্নগুলোর গুণফল বুঝার জন্য ভিডিওটি দেখো please.
তাহলে এবারে চল আমরা বীজগণিতীয় রাশিগুলো কীভাবে গুণ করতে হয় -তা’ শিখি।
তিন উপায়ে আমরা বীজগণিতীয় রাশিসমূহের গুণকে আমরা বর্ণনা করতে পারি।
সাধারণ গুণ
সূচকীয় গুণ
সূত্র প্রয়োগ করে গুণ
প্রথমে সাধারণ গুণ নিয়ে আলোচনা করা যাক্।
সাধারণ গুণ আবার দুই প্রকার, যেমন:
বন্ধনীমুক্ত গুণ ও বন্ধনীযুক্ত গুণ।
প্রথমে বন্ধনী মুক্ত গুণ নিয়ে আলোচনা করছি।
নিচের উদাহরণ গুলো লক্ষ্য করো।
6ab3pq
2bc4ad
3pqr5acd7mn
বন্ধনীযুক্ত গুণের জন্য নিচের উদাহরণগুলো লক্ষ্য করি।
(-5a)6b
6xy(-3bc)(-7adr)
(a+b)(c-d)
-7x(y-z)
(3x+2y)(5a-3b)(a-b)
-5(a-4b+3c-4d)
7(4c-8d-6s)
এবারে আমরা সূচকীয় রাশির গুণন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করতে চাই।
note:(সূচক সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা সূচক ও লগারিদম অধ্যায়ে করা হবে।)
সূচকীয় গুণ বুঝার জন্য যতটুকু আলোচনা আবশ্যক ততটুকুর মধ্যে আমরা আজকের আলোচনাটি সীমাবদ্ধ রাখবো।
প্রথমেই জেনে নেই সূচক কি?
নিম্নের উদাহরণ দুটি লক্ষ্য কর,
আমরা 3x বলতে নিশ্চয়ই বুঝি তিনটা x এর যোগফল। এভাবে 7x বলতে নিশ্চয়ই বুঝবো সাতটা xএর যোগফল।
কিন্তু যদি বলি x3 বলতে কি বুঝি ? x7 বলতে কি বুঝি?
তখনই যে বিষয়টা চলে আসে তা হচ্ছে সূচক বা সূচকীয় প্রক্রিয়া।
মূলতঃ তিনটা x কে যোগ করলে হয় 3x, কিন্তু তিনটা x কে গুণ করলে হয় x3
আবার 7 টা x কে যোগ করলে হয় 7x কিন্তু 7টা x কে গুণ করলে হয় x7
অর্থাৎ x ()x()x =x3 এবং x()x()x()x()x()x()x=x7
এদেরকে এভাবেও লিখা হয়, x.x.x=x3 এবংx.x.x.x.x.x.x=x7
এখানে , x এর উপরের একটু ডানপার্শ্বের সংখ্যাটিকে বা প্রতীকটিকে বলা হয় সূচক বা ঘাত বা power
যেমন, x3 এর 3কে বলা হয় সূচক ঘাত বা power এবং এইরূপেx7 এর 7কে বলা হয় সূচক বা ঘাত বা power.
এবং সূচক বা ঘাত বা পাওয়ার এর একটু নিচে বামপার্শ্বের প্রতীকটিকে বলা হয় ভিত্তি বা base.
যেমন x3 এর x হছে ভিত্তি বা base এবং x7 এর x হচ্ছে ভিত্তি বা base.
তাহলে চলো,আমরা এবারে সূচকীয় গুণন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করি।
পাঠটি আরো অধিক উপলব্দিযোগ্য হওয়ার জন্য Main Menueএর Tutorial(Vidoes)অংশে ক্লিক করেভিডিওটি দেখুন please

কোন মন্তব্য নেই
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন